..:: বিজ্ঞাপন ::..

আগরতলা, ৩ জুলাই।। প্রকৃতির কোলে আমাদের সৃষ্টি এবং প্রকৃতির কোলেই আমরা বেড়ে উঠি। তাই প্রকৃতি আমাদের কাছে মায়ের মতো। মা যদি অসুস্থ হয়, আমরা চিন্তিত হই, উদ্বিগ্ন হই। ঠিক তেমনি প্রকৃতি যদি অসুস্থ হয় আমাদের জীবনে নানা বিপর্যয় নেমে আসে। তাই প্রকৃতিকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আমাদের সকলকে দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। আজ ধর্মনগরের বি বি আই মাঠে আয়োজিত ৬৮তম রাজ্যভিত্তিক বনমহোৎসবের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার একথা বলেন। বনমহোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও পরিবেশ মন্ত্রী বিজিতা নাথ, বনমন্ত্রী নরেশ চন্দ্র জমাতিয়া। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতি আজ নানা ভাবে আক্রান্ত ও অসুস্থ হয়ে পড়ছে। পৃথিবীতে জনসংখ্যা বাড়ছে, দূষণ বাড়ছে, পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ছে, ওজোন স্তর বায়ু মন্ডলের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারছে না এবং প্রাণীকুল যারা বনাঞ্চলে বাস করে তারাও বিলুপ্ত হচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিবেশে একটা জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তাই পরিবেশকে রক্ষা করতে সরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারী ভাবে সকলকে দায়িত্ব নিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই কাজ করতে না পারলে আমরা ধ্বংসের কিনারায় চলে যাবো।
জিরানীয়া, ৩ জুলাই।। রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করেই সাতদিন ব্যাপী আয়োজিত খার্চি উৎসবে সামিল হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ উৎসব ও মেলা উপলক্ষ্যে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর কৃষ্ণমালা মঞ্চে আয়োজন করেছে বর্ণময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে রাজ্যের মিশ্র সংস্কৃতি। উৎসবের প্রথম দিন সকালে কৃষ্ণমালা মঞ্চে আয়োজিত হয় উপজাতি লোকনৃত্য, উপজাতি লোক সংগীত, জাদুকলিজা, আদিবাসী বাউল সংগীত, পালা কীর্তন ও ধামাইল। অনুষ্ঠানগুলিতে অংশ নেন যতীন্দ্র কুমার উচ্চ বিদ্যালয়, প্রতাপগড় লোকরঞ্জন শাখা, মান্দাই এবং গাবর্দির লোক শিল্পীগণ। বিকালে হাবেলী মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় শিশু উৎসব। বিভিন্ন বিদ্যালয় ও সাংস্কৃতিক সংস্থার শিশু শিল্পীর এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। সন্ধ্যায় কৃষ্ণমালা মঞ্চে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের শিল্পীবৃন্দ। সমবেত সংগীত পরিবেশন করে গীতিমাল্য। পার্শ্ববর্তী রাজ্য মণিপুর থেকে আসা শিল্পীরা মার্শাল আর্ট প্রদর্শন করেন।
কৈলাসহর, ৩ জুলাই।। পণ্য ও পরিষেবা কর-এর উপর এক সচেতনতামূলক কর্মশালা সম্প্রতি কৈলাসহরের ঊনকোটি কলাক্ষেত্রে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় বিভিন্ন স্তরের ব্যবসায়ী ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালার উদ্বোধন করে কৈলাসহর পুর পরিষদের ভাইস চেয়ারপার্সন মনীষ সাহা পণ্য ও পরিষেবা কর-এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। আলোচনায় অংশ নিয়ে সুপারিন্টেনডেন্ট অব টেক্সেস কবুল রবিদাস বলেন, রাজ্যে ইতিমধ্যে ২১টি মহকুমায় এইরকম কর্মশালা আয়োজিত হয়েছে। কর্মশালায় প্রজেক্টারের মাধ্যমে জি এস টি-এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন রাজস্ব দপ্তরের আধিকারিক মঙ্গল দেববর্মা।