..:: বিজ্ঞাপন ::..

আগরতলা, ১১ এপ্রিল।। বিজু, বাংলা নববর্ষ ও গড়িয়া উৎসব উপলক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এক শুভেচ্ছা বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘’বিজু, বাংলা নববর্ষ ও গড়িয়া উৎসব উপলক্ষ্যে সকল ত্রিপুরাবাসীকে আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। উগ্র ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক উস্কানী, বিভেদ ও বিদ্বেষ ছড়াবার গভীর ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও এই সামাজিক উৎসবসমূহ ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে আমাদের সকলের মধ্যে ঐক্য, সংহতি ও সৌভ্রাতৃত্বের চেতনাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আমার বিশ্বাস। বাংলা নববর্ষ আগামী দিনগুলোতে ত্রিপুরায় শান্তি ও সম্প্রীতির বাতাবরণকে সুদৃঢ় করুক এবং সকলের সম্মিলিত আন্তরিক প্রয়াসে ত্রিপুরার অগ্রগতি ত্বরান্বিত হোক, এই কামনা করি।‘’
আগরতলা, ১১ এপ্রিল।। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাজ্যপাল তথাগত রায় রাজ্যবাসীকে প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এক শুভেচ্ছা বার্তায় রাজ্যপাল বলেছেন, ‘’ঋতু চক্রের অমোঘ নিয়মেই বর্ষ শেষে শুরু হয় নববর্ষ। ব্যর্থতা গ্লানিকে ভুলে নূতন বর্ষ আনন্দের বার্তা আনে সবার আঙ্গিনায়। বাংলা নববর্ষে আমাদের রাজ্যের সব বর্ণ-ধর্ম-জাতি ও ভাষাভাষির মানুষ বর্ষবরণে সামিল হয়। এক অনাবিল আনন্দে মেতে উঠে উৎসবপ্রিয় মানুষ। আমি বাংলা নববর্ষে রাজ্যবাসীকে প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই। নূতন বছর আপনাদের জীবনে সুখ, শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্ব নিয়ে আসুক, ত্রিপুরা রাজ্য উত্তরোত্তর আত্মিক, নৈতিক ও আর্থিক উন্নতির পথে এগিয়ে যাক, ঈশ্বরের কাছে এই প্রার্থনা। সকলের প্রতি আমার আন্তরিক শুভ কামনা রইল।
আগরতলা, ২২ ফেব্রুয়ারী।। ককবরক কথা সাহিত্যিক ও কবি শ্যামলাল দেববর্মার প্রয়াণে তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী ভানুলাল সাহা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রয়াতের শোকসন্তপ্ত পরিবার পরিজনদের প্রতি সমবেদনা জানান। শোক বার্তায় তিনি বলেন, শ্যামলাল দেববর্মার প্রয়াণে রাজ্যের সাহিত্য সংস্কৃতি জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি হল। রাজ্য হারালো ককবরক সাহিত্যের এক অগ্রণী রূপকারকে। তিনি ছিলেন মাটির কাছাকাছির মানুষ। তাঁর লেখায় এ রাজ্যের শোষিত, বঞ্চিত মানুষের কথা উঠে এসেছে। শোকবার্তায় তিনি আরও বলেন, শ্যামলাল দেববর্মা তাঁর সৃজনশীল ও মননশীল সাহিত্য সৃষ্টির মধ্যে দিয়েই আমাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।