..:: বিজ্ঞাপন ::..

ওয়েব ডেস্ক, ১৯ মে।। মন্ত্রী কৃষ্ণেনন্দু নারায়ণ চৌধুরী। মালাদাহের ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্র থেকে হেরে গেলন এই হেভিয়েট। মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র। মালদাহের মানিকচক বিধানসভাকেন্দ্র থেকে হার। মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। আইনমন্ত্রী হারলেন উত্তর ২৪ পরগণার উত্তর দমদম কেন্দ্র থেকে। নির্ভেদ রায়। তমলুক থেকে হার। পূর্ব মেদিনীপুরে সবকটি আসন তৃণমূলের খাতায়, কেবল খোয়া গেল তমলুক। কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়। সুন্দরবনের ঘরের ছেলে। ২০১১ তেও হেরেছিলেন, এবারও হারলেন। পরপর দু'বার জয়ী হলেন তারকা প্রার্থী দেবশ্রী রায়। অবাক হওয়ার বিশেষ কারণ না থাকলেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কড়া নজর ছিল প্রান্তিকের এই কেন্দ্রে, বেশির ভাগের প্রত্যাশা ছিল জয় হাসিল করবে বামেরা। তবে ফল ঠিক উল্টো। আর অবশ্যই বলতে হয়, মদন মিত্রের কথা। নিজেও কনফিডেন্ট ছিলেন, '৫০০০ ভোটে জিতবেন'। হারলেনও প্রায় ৫০০০ ভোটেই। ৫০-৫০ চান্স থাকলেও বাংলায় একমাত্র নজির জেল থেকে ভোটে দাঁড়িয়ে, জয়ের রেকর্ড গড়া হল না তাঁর।
ওয়েব ডেস্ক, ১৯ মে।। দুপুর ১ টা বাজতেই ভোটের ফল বুঝতে পেরে সাংবাদিক সম্মেলন করে ফেললেন কংগ্রেসের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরি। ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে অধীর চৌধুরি যা বললেন - ''আমি হারের কারণ বলতে পারি। কিন্তু কিছুতেই এই ব্যর্থতার জন্য কোনও পঙ্গু অজুহাত দেব না। আমরা অনেক আসনে ভোটে লড়তে চেয়েছিলাম। কিন্তু সিপিএমের পক্ষ থেকে অত আসন পাইনি। আজ তাই আমরা কোনও অজুহাত দেব না। অনেক বাম নেতাই বলে বেরিয়েছেন জোট না হয়ে ঘোঁট হয়েছে! এই ভোটে যে পরিমান ম্যান, মাসল আর মানি খেটেছে, তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়। তদন্ত করলেই দেখবেন, শাসকদল কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছে এবারের নির্বাচনে। আমরা বলেছিলাম মানুষ নিজের ভোট নিজে দিয়েছে। কিন্তু কে বলেছে যে, নিজের ভোট নিজে টাকা নিয়ে দেওয়া যায় না! এই শাসকদল গত ৫ বছরে আমাদের রাজ্যে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত শ্রেণীর জন্ম দিয়েছে। আমরা তাই মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারিনি। মানুষ মনে করেছে জোট অপেক্ষা মমতা ভালো। যদি বামফ্রন্ট মনে করে তাঁরা জোট করে ভুল করেছে, তাহলে সেটা তাঁদের ব্যাখ্যা। আর একটা জিনিস খেয়াল করে দেখবেন, তৃণমূল কিন্তু সিপিএমের জেতা আসনে জিতছে। কংগ্রেসের জেতা আসনে নয়।''
ওয়েব ডেস্ক, ১৯ মে।। "আমি কোনও মাছি মারিনি, কোনও মানুষ মারিনি। আমার সমস্ত তৃণমূল কর্মীদের কাছে একটাই অনুরোধ, কোনও বাজি যেন না ফোটে, যেখানে আমরা হেরেছি সেখানে মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে হবে, তাঁদের সব পরিষেবা দিতে হবে", জয়ের পর প্রথম প্রতিক্রিয়া বিধানসভা ভোটের 'রাজনীতিক হিরো' অনুব্রত মণ্ডলের। লকেট সম্পর্কে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি কেষ্টর বক্তব্য, "লকেট একজন দলছুট মহিলা। উনি নাও মানতে পারেন। ওকে ময়ূরেশ্বরে তিন নম্বর স্থান দিয়েছি"। তিনি আরও বলেন, বীরভূমে বিজেপি টিজেপি নাই। ভোটের সাফল্যের পর (১১টি বিধানসভা কেন্দ্রের ৯টি আসন তৃণমূলের দখলে) কেষ্টর প্রতিশ্রুতি, "বীরভূমে কোনও অশান্তি হবে না"।