..:: বিজ্ঞাপন ::..

ওয়েব ডেস্ক, ২১ এপ্রিল।। ভোটে অশান্তি, হিংসা এড়ানো গেল না নদীয়ায়। ধারাপুরে বোমাবাজি, করিমপুরে সিপিআইএম-তৃণমূল সংঘর্ষের সঙ্গেই গয়েশপুরেও মার খেলেন বাম এজেন্টরা। ভোটের হিংসার হাত থেকে রেহাই পেলেন না শিক্ষক-অধ্যাপকও। নদীয়ার চাকদায় ভোট দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক, তাঁর শিক্ষিকা স্ত্রী ও মেয়ে। চাকদা কলেজ বুথে ভোট দিতে যাওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে। লাঠি দিয়ে মেরে হাতের আঙুল ফাটিয়ে দেওয়া হয় শিক্ষকের। চাকদা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন শিক্ষক।
ওয়েব ডেস্ক, ২১ এপ্রিল।। দিনের শুরুতেই বোমাবাজিতে ডোমকলে প্রাণ হারান সিপিআইএম কর্মী তহিদুল ইসলাম। ডোমকলের শিরোপাড়ায় ১৭৬ নম্বর বুথের সামনে ব্যাপক বোমাবাজিতে মৃত্যু হয় তহিদুল ইসলাম নামে ওই সিপিএম কর্মীর। এরপরই এই ঘটনায় জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট তলব করে কমিশন। কমিশনকে রিপোর্টে পুলিস সুপার জানান, “বোমাবাজি নয় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মৃত্যু হয়েছে ওই সিপিএম কর্মীর।” যদিও, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়েছেন, ডোমকলের ঘটনায় তৃণমূল কোনওভাবেই জড়িত নয়। তবে উদ্বিগ্ন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জাইদি দিনের শেষে ফোন করেন রাজ্যের CEO সুনীল গুপ্তাকে। খোঁজখবর নেন ডোমকলের ঘটনা সম্পর্কে। বোমাবাজিতে তহিদুল ইসলামের মৃত্যুর পরই, ডোমকলের শিরোপাড়ায় ভোট বন্ধের দাবি তোলেন গ্রামবাসীরা।
ওয়েব ডেস্ক, ২১ এপ্রিল।। দিনের শুরুতেই শিরোনামে মুর্শিদাবাদের ডোমকল। বোমাবাজির আঘাতে প্রাণ হারান সিপিআইএম কর্মী তহিদুল ইসলাম। ২০১৬ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তহিদুরই ভোটে হিংসার প্রথম বলি। এরপর থেকে সারা দিনই খবরে রইল ডোমকল। ভোটের প্রথম ঘণ্টাতেই শিরোপাড়ায় ব্যাপক বোমাবাজি শুরু হয়ে যায়। বুথ থেকে সামান্য দূরে মাঠের মধ্যে চলে বোমাবাজি। অভিযোগ, ডোমকলে সিপিএম কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী কামরুজ্জমান। আরও অভিযোগ, প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে এই অবস্থা চললেও পুলিস বা কেন্দ্রীয় বাহিনী কারোর দেখা পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, ডোমকলের দক্ষিণপাড়ায় চলে গুলির লড়াই। গুলিবিদ্ধ হন ২ সিপিএম কর্মী রিন্টু মণ্ডল, আখতারউল ও তৃণমূল কর্মী শরিফুল ইসলাম। ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ওঠে ডোমকলের গরাইমারায় মোমমিনপুর গ্রামে। গ্রামবাসীদের বুথ পর্যন্ত যেতে দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ।