..:: বিজ্ঞাপন ::..

ওয়েব ডেস্ক, ১৯ মে।। দুপুর ১ টা বাজতেই ভোটের ফল বুঝতে পেরে সাংবাদিক সম্মেলন করে ফেললেন কংগ্রেসের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরি। ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে অধীর চৌধুরি যা বললেন - ''আমি হারের কারণ বলতে পারি। কিন্তু কিছুতেই এই ব্যর্থতার জন্য কোনও পঙ্গু অজুহাত দেব না। আমরা অনেক আসনে ভোটে লড়তে চেয়েছিলাম। কিন্তু সিপিএমের পক্ষ থেকে অত আসন পাইনি। আজ তাই আমরা কোনও অজুহাত দেব না। অনেক বাম নেতাই বলে বেরিয়েছেন জোট না হয়ে ঘোঁট হয়েছে! এই ভোটে যে পরিমান ম্যান, মাসল আর মানি খেটেছে, তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়। তদন্ত করলেই দেখবেন, শাসকদল কী পরিমাণ টাকা ঢেলেছে এবারের নির্বাচনে। আমরা বলেছিলাম মানুষ নিজের ভোট নিজে দিয়েছে। কিন্তু কে বলেছে যে, নিজের ভোট নিজে টাকা নিয়ে দেওয়া যায় না! এই শাসকদল গত ৫ বছরে আমাদের রাজ্যে বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত শ্রেণীর জন্ম দিয়েছে। আমরা তাই মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারিনি। মানুষ মনে করেছে জোট অপেক্ষা মমতা ভালো। যদি বামফ্রন্ট মনে করে তাঁরা জোট করে ভুল করেছে, তাহলে সেটা তাঁদের ব্যাখ্যা। আর একটা জিনিস খেয়াল করে দেখবেন, তৃণমূল কিন্তু সিপিএমের জেতা আসনে জিতছে। কংগ্রেসের জেতা আসনে নয়।''
ওয়েব ডেস্ক, ১৯ মে।। "আমি কোনও মাছি মারিনি, কোনও মানুষ মারিনি। আমার সমস্ত তৃণমূল কর্মীদের কাছে একটাই অনুরোধ, কোনও বাজি যেন না ফোটে, যেখানে আমরা হেরেছি সেখানে মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে হবে, তাঁদের সব পরিষেবা দিতে হবে", জয়ের পর প্রথম প্রতিক্রিয়া বিধানসভা ভোটের 'রাজনীতিক হিরো' অনুব্রত মণ্ডলের। লকেট সম্পর্কে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি কেষ্টর বক্তব্য, "লকেট একজন দলছুট মহিলা। উনি নাও মানতে পারেন। ওকে ময়ূরেশ্বরে তিন নম্বর স্থান দিয়েছি"। তিনি আরও বলেন, বীরভূমে বিজেপি টিজেপি নাই। ভোটের সাফল্যের পর (১১টি বিধানসভা কেন্দ্রের ৯টি আসন তৃণমূলের দখলে) কেষ্টর প্রতিশ্রুতি, "বীরভূমে কোনও অশান্তি হবে না"।
ওয়েব ডেস্ক, ৩০ এপ্রিল।। বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। ভোটের দিনও বিতর্ক এড়াতে পারলেন না সোনালি গুহ। ফোনে সিপিএম এজেন্টকে মেরে বুথ থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ। স্বতঃপ্রনোদিত হয়ে ব্যবস্থা নিল কমিশন। বিষ্ণুপুর থানায় এফআইআর দায়ের হল সাতগাছিয়ার তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে। 'মেরে বের করে দিন', প্রকাশ্যেই দলের কর্মীদের এমনটা নির্দেশ দিলেন সাতগাছিয়ার তৃণমূল প্রার্থী সোনালি গুহ। টিভিতে এই ফুটেজ দেখেই স্বতঃপ্রনোদিত ভাবে রিপোর্ট চায় কমিশন। জানানো হয় দিল্লিতেও। রিপোর্টের ভিত্তিতেই দুপুরের মধ্যে জেলা প্রশসানকে এফ আই আর’র নির্দেশ দেয় কমিশন। কমিশনের নির্দেশে বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয় সোনালি গুহর বিরুদ্ধে।