..:: বিজ্ঞাপন ::..

ওয়েব ডেস্ক, ২৫ জানুয়ারী।। মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের আমেরিকায় এবার প্রবেশ নিষিদ্ধ করার পথে ট্রাম্প প্রশাসন। বিশেষ করে ইরাক, ইরান, সিরিয়ার মত দেশগুলির অভিবাসীদের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত আমেরিকা জুড়ে বহাল থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা। দেশের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে খবর প্রশাসন সূত্রে। আজই সেই নির্দেশে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বাক্ষর করার কথা রয়েছে। ভোটে জিতলে মার্কিন মুলুকে মুসলিমদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ সেই প্রতিশ্রুতিই কি এবার সত্যি করতে চলেছেন ট্রাম্প? প্রশ্ন উঠেছে কূটনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, সিরিয়া, ইরাক, ইরান, লিবিয়ার মত দেশের নাগরিকদের মার্কিন ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন৷ মধ্য প্রাচ্যের কোনও অভিবাসী যাতে আমেরিকায় প্রবেশ করতে না পারেন, তার জন্যই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে খবর৷
ওয়েব ডেস্ক, ২৫ জানুয়ারী।। পাকিস্তান পার্লামেন্টের এক মহিলা সাংসদকে নিগ্রহের অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে স্পিকার কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা অস্বীকার করায় নিজের গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দিলেন নুসরত সাহর আব্বাসি নামে ওই সাংসদ। নুসরত সেদেশের সিন্ধু প্রদেশের সাংসদ। তিনি সেখানকার প্রাদেশিক সরকারের মন্ত্রী ইমদাদ পিতাফির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনেন। অভিযোগে বলা হয়, পার্লামেন্টে একটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক চলছিল পিতাফির সঙ্গে। সেই সময় হঠাত্ই্ পিতাফি তাঁকে সভার পর নিজের চেম্বারে ডেকে পাঠান। আর তাতেই বেজায় চটেছেন নুসরত। পিতাফির বিরুদ্ধে অবিলম্বে শাস্তির দাবি তুলেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, সিন্ধু প্রদেশের রক্ষণশীল সমাজে কোনও মহিলাকে এভাবে আড়ালে দেখা করতে বলার অর্থ তাঁকে অপমাণ করার সমান। সেই কাজ করার ফলেই পিতাফির বিরুদ্ধে সরব হলেন নুসরত।
ওয়েব ডেস্ক, ৮ জুলাই।। সৌদি আরবে বিস্ফোরণ হামলায় ১২ জন পাকিস্তানি এবং ৭ জন সৌদিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত সোমবার আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসেই সৌদি আরবের জেড্ডার রেড সি শহরে মার্কিন দূতাবাসের কাছে বিস্ফোরণ হয়। হাই সিকিউরিটি জোনে প্রবেশ করার পরই গাড়ির মধ্যেই বিস্ফোরণ ঘটে। তাতেই মৃত্যু হয় ওই জঙ্গির। জখম হন আরও দুই নিরাপত্তারক্ষী। হামলা হয় মেদিনাতেও। সৌদি আরবের তরফে জানানো হয়েছে, ২৬ বছর বয়সী যে জঙ্গি হামলা চালায় সে সৌদি আরবের বাসিন্দা। প্রসঙ্গত, বিস্ফোরণের পরই ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে বিশাল পুলিস বাহিনী। এলাকার সব রাস্তা বন্ধ করে শুরু হয় তল্লাসি। কোনও জঙ্গি সংগঠন এখনও এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।