..:: বিজ্ঞাপন ::..

ধূমপান স্বাস্থ্যে পক্ষে বেশ ক্ষতিকর এবং ক্যান্সারের কারণ৷একথা সর্বজনবিদিত৷ তবু, সবাই সিগারেটে সুখটান দেন৷ প্যাকেটে লেখা সতর্কবানীকে উপেক্ষা করে নিজের বিপদ ডেকে আনেন ধূমপায়ীরা৷ বিপদ শিয়রে এলে সিগারেট-বিড়ি ত্যাগ করা সংকল্প (!) করেও থাকে কেউ কেউ৷ কিন্তু, নিজেকে এর থেকে দুরে রাখতে পারে না কেউই৷ চেষ্টা করেও এই নেশা রোধ করতে পারি না৷ দু’চারদিন পর আবার সেই সুখটানে প্রতি আসক্ত হতে হয়৷

কিন্তু, কিছু সাধারণ এবং প্রাকৃতিক উপায়ে এই ধূমপানের থেকে রেহাই পেতে পাওয়া যেতে পারে৷ এমনটাই জোরাল দাবি করেছেন চিকিৎসক এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকরা৷ যদি আপনি অতিরিক্ত ধূমপান করেন, তাহলে শরীরে জমা বিষাক্ত পদার্থগুলিকে পরিষ্কার করা অবশ্যই প্রয়োজন৷ তাই, বিশেষজ্ঞরা কিছু স্বাভাবিক এবং সহজ উপায়ের কথা জানাচ্ছেন৷ এতে সহজেই নিষ্কৃতি পাওয়া যাবে বলেই মনে করছেন তারা৷

১. বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ প্রচুর পরিমাণ ঠাণ্ডা পানি খাওয়ার জন্য৷ তবে খুব ঠাণ্ডা পানি বা ফ্রিজে রাখা পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে৷ আর এই পানি যদি তামার পাত্রে রাখা যায় তাহলে শরীর থেকে ধূমপানের ফলে যা জমেছে সেগুলো পরিষ্কার হয়ে যাবে৷

২. অশ্বগন্ধা, ত্রিফলা এবং সুদর্শণচূর্ণ আমাদের শরীরে জমে থাকা দূষিত উপাদানগুলোকে বিষক্ষয় করতে সাহায্য করে৷ তবে এইগুলো সেবন করার আগে ডাক্তারের পারমর্শ নিয়ে ব্যবহার করা ভালো৷

ব্যবহার করা যেতে পারে হার্বাল সিগারেট :
প্রথম প্রথম ধূমপান ছেড়ে দিতে ভীষণ কষ্ট হতে পারে৷ তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই সময় সব থেকে ভাল উপায় হল সাধারণ সিগারেটের বদলে হার্বাল সিগারেট ব্যবহার করা৷ এই হার্বাল সিগারেটে সাধারণত হলুদ, তুলসি, লবঙ্গ, দারুচিনি এবং এলাচ দিয়েই তৈরি হয়ে থাকে৷ ধূমপান থেকে নিজেকে একটু দূরে রাখতে চাইলে, নিকোটিন যুক্ত সিগারেটের বদলে এই হার্বাল সিগারেট ব্যবহার করাকেই সবথেকে ভালো উপায় বলে পরামর্শ দেন আয়ুর্বেদিক ডাক্তাররা৷

মাঝে মাঝে আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা আরও একটি পরামর্শ দিয়ে থাকেন৷ তারা বলছেন আদা, হলুদ, আমলা গুঁড়া করে মিশ্রণ বানিয়ে একটি বলের আকারে গড়ে মুখের মধ্যে কিছুক্ষণ রেখে রেখে খাওয়া যেতে পারে৷ এই মিশ্রণ রোজ বা সপ্তাহে কয়েকদিন খেলে সিগারেটের প্রতি আকর্ষণ একেবারেই চলে যাবে বলে দাবি৷

খাবার তালিকার পরিবর্তন :
ধূমপান হঠাৎ করে ছেড়ে দেয়ার পর পরই খাবার খেতে গেলেই অনেকের মুখে একরকমের তেঁতো স্বাদ লাগে৷ তাই এই সময় কিছুদিন নিরামিষ খাওযার কথা বলছেন চিকিৎসকরা৷ অ্যালকালিন জাতীয় খাবার যেমন শাক-সবজি, ফল, শুকনো বাদাম, ইত্যাদি খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে৷ পাঁউরুটি, দুধ থেকে তৈরি খাবার, চা, কফিকে একটু এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে বলেছেন চিকিৎসকরা৷ সপ্তাহ খানেক এইরকম খাবার খেলেই মুখে আবার স্বাভাবিক স্বাদ ফিরে পাবেন৷- ওয়েবসাইট।