বীর জওয়ানদের আত্মবলিদানের জন্যই দেশের অখন্ডতা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ঐক্য সম্প্রীতি বিরাজমান : মুখ্যমন্ত্রী
বীর জওয়ানদের আত্মবলিদানের জন্যই দেশের অখন্ডতা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ঐক্য সম্প্রীতি বিরাজমান : মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ২৮ আগষ্ট।। ভারতবর্ষ বীরের দেশ। ভারতবর্ষকে রক্ষা করতে বহু বীর জওয়ান শহীদ হয়েছে। তাদের আত্মবলিদানের ফলেই ভারতবর্ষ আজ এক স্বাভিমানী দেশ হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব আজ বামুটিয়া ব্লকের লেম্বুছড়া ইকোপার্কে বীরচক্র পদক প্রাপ্ত বীর জওয়ান রবি কুমার দেববর্মার আবক্ষ মূর্তির আবরণ উন্মোচন করে একথা বলেন।

লেম্বুছড়ার সিপাহীপাড়ার বাসিন্দা রবিকুমার দেববর্মা ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত আসাম রেজিমেন্টের সিপাহী পদে কর্মরত ছিলেন। ১৯৮৮ সালের ৩ জুলাই শ্রীলঙ্কায় তিনি এল টি টি ই সন্ত্রাসবাদীদের গুলিতে প্রাণ হারান। ১৯৮৯ সালের ২৮ এপ্রিল ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রয়াত আর ভেঙ্কটরমন শহীদ রবিকুমার দেববর্মাকে মরনোত্তর বীরচক্র পদে ভূষিত করেন। আবক্ষ মূর্তির আবরণ উন্মোচন করে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব সর্বপ্রথম প্রয়াত বীর জওয়ান রবি কুমার দেববর্মার মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংবিধানের ৩৭০ এবং ৩৫-এ ধারা বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীরকে শান্ত করেছেন। পাকিস্তানে সার্জিকেল স্ট্রাইক করে প্রধানমন্ত্রী দেখিয়ে দিয়েছেন আমেরিকা, রাশিয়া বা অন্যান্য দেশ পারলে আমরাও পারি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দেশের অখন্ডতা রক্ষায় বীর জওয়ানরা পিছুপা হবে না।

বিশেষ অতিথির ভাষণে রাজস্বমন্ত্রী নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মা বলেন, আগামী প্রজন্মের কাছে বীর শহীদদের কথা তুলে ধরার জন্যই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শহীদ রবি কুমার দেববর্মা আমাদের গর্ব। তাঁর এই আবক্ষ মূর্তি রাজ্য তথা দেশবাসীর কাছে উৎসর্গ করা হল। স্বাগত ভাষণ দেন রাজ্য সৈনিক বোর্ডের অধিকর্তা প্রাক্তন ব্রিগেডিয়ার জে পি তিওয়ারি। অনুষ্ঠানে শহীদ জওয়ান রবি কুমার দেববর্মার পিতা সুখরাই দেববর্মা ও মাতা শুভলক্ষ্মী দেববর্মাকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে ২১ সেক্টর আসাম রাইফেলস-এর জওয়ানগণ শহীদ বীর জওয়ান রবি কুমার দেববর্মার প্রতি সেলামী প্রদর্শন করেন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন। উল্লেখ্য, রাজ্য সরকার ও রাজ্য সৈনিক কল্যাণ বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে ত্রিপুরা আর্ট কলেজের শিল্পীরা গ্রানাইড পাথর দিয়ে এই আবক্ষ মূর্তিটি নির্মাণ করেন। 

আরো পড়ুন

Advertisement