..:: বিজ্ঞাপন ::..

কুমারঘাট, ৭ জুন।। কুমারঘাট পঞ্চায়েত সমিতি ও ব্লক উপদেষ্টা কমিটির যৌথ সভা সম্প্রতি পঞ্চায়েত সমিতির হলে অনুষ্ঠিত হয়। কুমারঘাট পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান দুর্গালক্ষ্মী দেববর্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিধায়ক টুনুবালা মালাকার, বি এ সি’র চেয়ারম্যান চন্দ্রমনি দেববর্মা, পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান সঞ্জয় ভট্টাচার্য, বি ডি ও মাণিক দাস, বিভিন্ন পঞ্চায়েত ও এডিসি ভিলেজের প্রধান- চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিডিও মানিক দাস ব্লক এলাকায় চলতি অর্থবর্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির রূপরেখা ও কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন। সভায় রাজ্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগমের প্রতিনিধি জানান, চলতি বর্ষে ব্লক নিগমের ৮২ কিমি এইচ টি লাইনের মধ্যে ৩৬ কিমি এবং ৩৭ কিমি এইচ টি লাইনের মধ্যে ৭ কিমি লাইন সম্প্রসারণ করা হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত হয় তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত লোক সংস্কৃতি উৎসব ২০১৭, কুমারঘাট ব্লক এলাকায় প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত ও ভিলেজ এবং ব্লক ভিত্তিক উৎসব জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই সম্পন্ন করা হবে।
আগরতলা, ৭ জুন।। খাদ্য, জন সংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ দপ্তরের অধিকর্তা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন যে, গণবন্টনের আওতাধীন সর্বস্তরের ভোক্তা সাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, গণবন্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে ভর্তুকীযুক্ত কেরোসিন সরবরাহ ব্যবস্থা ধীরে ধীরে সংকোচিত করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় খাদ্য মন্ত্রণালয় বিগত কয়েক বছর যাবৎ রাজ্যের জন্য কেরোসিনের মাসিক বরাদ্দ ধাপে ধাপে কমিয়ে বর্তমানে ২৪৪৮ কিলোলিটার প্রতিমাসে করা হয়েছে, যেখানে গত জানুয়ারী, ২০১৬ইং সালে রাজ্যের জন্য মাসিক বরাদ্দ ছিল ৩২০০ কিলোলিটার। যার ফলশ্রুতিতে গত ৭ই ডিসেম্বর, ২০১৬ইং তারিখে প্রত্যেক মহকুমার জন্য বরাদ্দ কেরোসিন কেবলমাত্র রেশনসপ ডিলারের মাধ্যমেই বিলি বন্টন করা হবে, অর্থাৎ হকারদের মাধ্যমে কেরোসিন বিলিবন্টন ব্যবস্থার উপর দপ্তর স্থগিতাদেশ জারী করেন। বর্তমানে কোন মহকুমায় হকারদের মাধ্যমে কেরোসিন বিলি বন্টন করা হয় না।
আগরতলা, ৬ জুন।। ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত এ বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা ও মাদ্রাসা আলিম পরীক্ষার ফল আজ প্রকাশিত হয়েছে। এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশের হার ৬৭.৩৮ শতাংশ। গতবার পাশের হার ছিল ৬৬.১৪ শতাংশ। এ বছর প্রথম দশে স্থান পেয়েছে ১৮ জন পরীক্ষার্থী। আজ সকালে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কনফারেন্স হলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে পর্ষদ সভাপতি অধ্যাপক মিহির কান্তি দেব এই পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেন। এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছিল ৩৭ হাজার ১২২ জন ছাত্রছাত্রী। পাশ করেছে ২৫ হাজার ১১ জন। এর মধ্যে প্রথম বিভাগে ৪৩২৯ জন, দ্বিতীয় বিভাগে ৫৫২৩ জন ও তৃতীয় বিভাগে পাশ করেছে ১৫,১৫৯ জন। ছেলেদের পাশের হার ৬৯.৪২ শতাংশ ও মেয়েদের পাশের হার ৬৫.৩৬ শতাংশ।