..:: বিজ্ঞাপন ::..

আগরতলা, ৬ জুন।। প্রথম- অর্ণব চৌহান, শিশু বিহার এইচ এস স্কুল, প্রাপ্ত নম্বর-৬৮৭/ দ্বিতীয়- প্রীদিতি দাস, অমরপুর ইংলিশ মিডিয়াম এইচ এস স্কুল, প্রাপ্ত নম্বর-৬৭১/ তৃতীয়- সাগর চক্রবর্তী, শিশু বিহার এইচ এস স্কুল, প্রাপ্ত নম্বর-৬৬৮/চতুর্থ (৫ জন)- উদয়পুর ইংলিশ মিডিয়াম এইচ এস স্কুলের কৃষ্ণেন্দু সাহা, বিলোনীয়া গভঃ ইংলিশ মিডিয়াম এইচ এস স্কুলের আকাশ মজুমদার, বিবেকানন্দ শিশুনিকেতনের মহুলমিতা লস্কর, শিশু বিহার এইচ এস স্কুলের আবীর দেবনাথ ও হেনরি ডিরোজিও একাডেমী এইচ এস স্কুলের সৌরভ দেবনাথ। তাদের প্রাপ্ত নম্বর-৬৬৪/ পঞ্চম- রত্নদীপ চক্রবর্তী, শিক্ষা নিকেতন, প্রাপ্ত নম্বর-৬৬১/ষষ্ঠ- দিগন্ত বৈদ্য, বৃন্তক শিক্ষা নিকেতন, প্রাপ্ত নম্বর-৬৬০/সপ্তম (২ জন)- বিবেকানন্দ শিশু নিকেতনের পৌলমী মজুমদার ও রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের সৌরভ পোদ্দার, তাদের প্রাপ্ত নম্বর-৬৫৯/অষ্টম (২ জন) – ধর্মনগর গভঃ গার্লস এইচ এস স্কুলের রিস্মিতা ধর ও শিশু বিহার এইচ এস স্কুলের প্রীথি দাস, প্রাপ্ত নম্বর-৬৫৮/ নবম (২ জন)- উদয়পুর ইংলিশ মিডিয়াম এইচ এস স্কুলের কুলদীপ দাস ও শিশু বিহার এইচ এস স্কুলের রত্নদীপ মজুমদার, তাদের প্রাপ্ত নম্বর-৬৫৭/দশম- (২ জন)- বিশালগড় ইংলিশ মিডিয়াম এইচ এস স্কুলের অরিন্দম দেবনাথ ও রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের ইমন পোদ্দার। তাদের প্রাপ্ত নম্বর-৬৫৬।
আগরতলা, ৬ জুন।। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন, ত্রিপুরা এবং স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ দপ্তর, ত্রিপুরা সরকারের উদ্যোগে আগামী ১২ জুন থেকে ২৪ জুন, ২০১৭ পর্যন্ত তীব্রতর ডায়েরিয়া নিয়ন্ত্রণ পক্ষকাল সারা রাজ্য জুড়ে পালিত হবে। শিশুদের মৃত্যুর হার কমানো জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন এবং স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ দপ্তর, ত্রিপুরা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় যে, পাঁচ বছরের নীচে শিশুদের মৃত্যুর জন্য প্রধান কারণ ডায়েরিয়া জনিত রোগ এবং সারা দেশে পাঁচ বছরের নীচে যত শিশুর মৃত্যু হয় তার মধ্যে ১০ শতাংশ শিশুর মৃত্যু হয় ডায়েরিয়ার কারণে। ডায়েরিয়ার প্রবণতা মূলত গ্রীষ্ম এবং বর্ষার সময়ে বেশী দেখা যায় এবং গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুরাই বেশী ডায়েরিয়াতে আক্রান্ত হয়। ত্রিপুরা রাজ্যেও গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই সময়ে ডায়েরিয়ার প্রাদুর্ভাব থেকে শিশুদের রক্ষা করতে সারা রাজ্য জুড়ে ডায়েরিয়া নিয়ন্ত্রণ পক্ষকালের মাধ্যমে সচেতনতা ও প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই পক্ষকাল পালনের মূল উদ্দেশয হল সমস্ত জলবাহিত রোগ প্রতিহত করা।
জিরানীয়া, ৬ জুন।। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের উদ্যোগে রানীরবাজার প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সৌরশক্তি চালিত বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা হয়েছে। ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এই প্রকল্পটি স্থাপনে ব্যয় হয়েছে ১২ লক্ষ ৯৪ হাজার ৯২০ টাকা। এদিকে উক্ত দপ্তরের উদ্যোগে পুরাতন আগরতলা ব্লকের মেঘলি পাড়া পঞ্চায়েতের ৯টি পরিবারে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট তৈরী করে দেওয়া হয়। এতে ব্যয় হয়েছে ১ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা। এছাড়া এবছর মেঘলি পাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতকে ‘গ্রীন ফার্মিং’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এজন্য এই গ্রামের কৃষকদের মৌমাছি পালনে, মাশরুম ও ফুলচাষে উৎসাহিত করার পাশাপাশি সহায়তাও দেওয়া হবে। অন্যদিকে বায়োটেক এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার গ্রাম পঞ্চায়েত ও এডিসি ভিলেজ মিলে ৬টি গ্রামকে ‘ক্লাইমেট স্মার্ট’ ভিলেজ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তর থেকে এ সংবাদ জানানো হয়েছে।