..:: বিজ্ঞাপন ::..

উদয়পুর, ৭ জুন।। এম জি এন রেগায় মাতাবাড়ী ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতে গত অর্থ বছরে বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে। এরমধ্যে জোয়ালী খামার গ্রাম পঞ্চায়েতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ৫টি কাঁচা রাস্তা সংস্কার করা হয়। এতে ব্যয় হয়েছে ৫ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮৯০ টাকা। শ্রমদিবস সৃষ্টি হয়েছে ৩ হাজার ৪৩১ টি। এছাড়া ১টি বক্স কালভার্ট নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৬ লক্ষ ৫ হাজার ৪২ টাকা। ৪টি কাঁচা নালা সংস্কারে ব্যয় হয়েছে ২ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৫৩ টাকা। শ্রমদিবস সৃষ্টি হয় ১ হাজার ৯২৩টি। এছাড়া ২ লক্ষ ৫৫ হাজার ৬৬৫ টাকা ব্যয় করে কৃষি কাজের উন্নয়নে ১টি আর সি সি ইরিগেশন চ্যানেল নির্মাণ করা হয়েছে। মৎস্য চাষের জন্য ১টি পুকুর খনন করা হয়েছে। ২ জনকে বাঁশ বাগান করে দেওয়া হয়েছে।
কুমারঘাট, ৭ জুন।। কুমারঘাট পঞ্চায়েত সমিতি ও ব্লক উপদেষ্টা কমিটির যৌথ সভা সম্প্রতি পঞ্চায়েত সমিতির হলে অনুষ্ঠিত হয়। কুমারঘাট পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান দুর্গালক্ষ্মী দেববর্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিধায়ক টুনুবালা মালাকার, বি এ সি’র চেয়ারম্যান চন্দ্রমনি দেববর্মা, পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান সঞ্জয় ভট্টাচার্য, বি ডি ও মাণিক দাস, বিভিন্ন পঞ্চায়েত ও এডিসি ভিলেজের প্রধান- চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিডিও মানিক দাস ব্লক এলাকায় চলতি অর্থবর্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির রূপরেখা ও কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন। সভায় রাজ্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগমের প্রতিনিধি জানান, চলতি বর্ষে ব্লক নিগমের ৮২ কিমি এইচ টি লাইনের মধ্যে ৩৬ কিমি এবং ৩৭ কিমি এইচ টি লাইনের মধ্যে ৭ কিমি লাইন সম্প্রসারণ করা হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত হয় তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত লোক সংস্কৃতি উৎসব ২০১৭, কুমারঘাট ব্লক এলাকায় প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত ও ভিলেজ এবং ব্লক ভিত্তিক উৎসব জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই সম্পন্ন করা হবে।
আগরতলা, ৭ জুন।। খাদ্য, জন সংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ দপ্তরের অধিকর্তা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন যে, গণবন্টনের আওতাধীন সর্বস্তরের ভোক্তা সাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, গণবন্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে ভর্তুকীযুক্ত কেরোসিন সরবরাহ ব্যবস্থা ধীরে ধীরে সংকোচিত করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় খাদ্য মন্ত্রণালয় বিগত কয়েক বছর যাবৎ রাজ্যের জন্য কেরোসিনের মাসিক বরাদ্দ ধাপে ধাপে কমিয়ে বর্তমানে ২৪৪৮ কিলোলিটার প্রতিমাসে করা হয়েছে, যেখানে গত জানুয়ারী, ২০১৬ইং সালে রাজ্যের জন্য মাসিক বরাদ্দ ছিল ৩২০০ কিলোলিটার। যার ফলশ্রুতিতে গত ৭ই ডিসেম্বর, ২০১৬ইং তারিখে প্রত্যেক মহকুমার জন্য বরাদ্দ কেরোসিন কেবলমাত্র রেশনসপ ডিলারের মাধ্যমেই বিলি বন্টন করা হবে, অর্থাৎ হকারদের মাধ্যমে কেরোসিন বিলিবন্টন ব্যবস্থার উপর দপ্তর স্থগিতাদেশ জারী করেন। বর্তমানে কোন মহকুমায় হকারদের মাধ্যমে কেরোসিন বিলি বন্টন করা হয় না।