..:: বিজ্ঞাপন ::..

ওয়েব ডেস্ক, ২৬ জানুয়ারী।। আবার প্রথা ভাঙলেন নরেন্দ্র মোদী। প্রথা ভেঙে এবার রাজপথে নেমে পড়লেন নমো। ৬৮ তম সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ স্থল তখন অবাক। নিজের নির্দিষ্ট আসন এবং মঞ্চ ছেড়ে ততক্ষণে জনতার কাছে সাধারণতান্ত্রিক শুভেচ্ছা নিয়ে হাজির নরেন্দ্র দামোদর দাস। গতবছরও এই দিনে ঠিক এমনটাই করেছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, সাধারণভাবে এই দিন দিল্লি ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ সতর্কতা জারি থাকে। ফলে শীর্ষ পদাধিকারীদের চলাফেরার ওপর থাকে বিধিনিষেধ এবং কড়াকড়ি। প্রধানমন্ত্রীর জন্য থাকে আরও আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার বেষ্টনী। কিন্তু সেসবের তোয়াক্কা না করে রাস্তার দু'ধারে দাঁড়িয়ে থাকা জনতার কাছে চলে আসেন মোদী। প্রসঙ্গত, আজ দেশের ৬৮ তম সাধারণতন্ত্র দিবসে ভারতীয় সেনাবাহিনীর শৌর্য প্রদর্শণের পাশাপাশি ছিল নানান সাংস্কৃতিক প্রদর্শণী। তবে এবারের অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ ছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সেনাবাহিনীর প্যারেড। রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় সেই প্যারেড অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং এর পাশাপাশি ভারতের ন্যাশানাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) ও প্যারেডে অংশ নেয়।
ওয়েব ডেস্ক, ২৬ জানুয়ারী।। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরদিনই ভুল করে পাক সীমান্ত পেরিয়ে যাওয়ার দায়ে পাক সেনার হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন ভারতীয় জওয়ান চান্দু বাবুলাল চহ্বান। চার মাস পর ২১ জানুয়ারি চান্দুকে ভারতের হাতে তুলে দেয় পাকিস্তান। দুদেশের মধ্যে যখন আলোচনা বন্ধ, তখন পাকিস্তানের এই পদক্ষেপকে 'সাধু উদ্যোগ' হিসেবেই দেখা হয়। কিন্তু কেমন আছেন চান্দু? আসল সত্যিটা কিন্তু বেশ ঘোলাটে, ধোঁয়াশা রয়েছে। সূত্রের রিপোর্ট বলছে, একজন শিশু হারিয়ে গেলে যেরকম ভীত, সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে; চান্দুও ঠিক সেই রকমই ভীত, সন্ত্রস্ত। তিনি যে দেশে ফিরে এসেছেন, সেটাই নাকি বহুক্ষণ পর বুঝতে পারেন। এতটাই আতঙ্কিত ছিলেন চান্দু। এমনকী, তাঁর হাঁটতে গেলেও অন্যের সাহায্যের দরকার পড়ছে। আর এখানেই দানা বাঁধছে সন্দেহ। তাহলে কি পাকিস্তানের জেলে চান্দুর উপর শারীরিক নির্যাতন চলেছে? সেনার এক পদস্থ কর্তা জানিয়েছেন, কিছুটা ধাতস্থ হলে পর চান্দুকে নিয়ে যাওয়া হবে পুঞ্চে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
ওয়েব ডেস্ক, ২৫ জানুয়ারী।। সীমান্তে কাশ্মীর উরত্যকায় তুষারধসে মৃত্যু হল ১ সেনা জওয়ানের। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে গাণ্ডেরবাল জেলার সোনমার্গে। নিখোঁজ আরও ৮ জওয়ান। অন্যদিকে, শ্রীনগরের গুরেজ এলাকায় তুষারধসে মৃত্যু হয়েছে ৪ সাধারণ নাগরিকের। এই মরশুমে অত্যাধিক তুষার পাতে অবস্থা আগে থেকেই খারাপ ছিল। এদিকে, গতকাল গান্ডেরবাল জেলায় খিমবার্স হাদুরা এলাকায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াই চলে। সংঘর্ষের ফলে সকালেই এলাকা খালি করে দেয় সেনাবাহিনী। গুলির লড়াইয়ে খতম হয়েছে ২ জঙ্গি। উদ্ধার হয়েছে ২টি AK সিরিজের রাইফেল। অন্যদিকে, রাজৌরি সেক্টরের নিরাপত্তা রেখায় আজ ফের অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করেছে সেনা। রাজৌরিতে এক অনুপ্রবেশকারীকে খতম করল নিরাপত্তারক্ষীরা।