..:: বিজ্ঞাপন ::..

ওয়েব ডেস্ক, ১৯ এপ্রিল।। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নতুন করে শোকজের চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। নেত্রীর হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে চিঠি। এমাসের ২২ তারিখের মধ্যে শো-কজের উত্তর দিতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আসানসোলের জনসভায় নতুন জেলা গঠনের ঘোষণা নিয়ে বিতর্ক। বিতর্কের জল গড়ায় কমিশন পর্যন্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শোকজ করে নির্বাচন কমিশন। সেই চিঠির উত্তর দেন মুখ্যসচিব। তা ঘিরে তৈরি হয় নতুন বিতর্ক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া শোকজের চিঠির উত্তর কেন মুখ্যসচিব দিলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে কমিশন। সেই উত্তর গ্রহণ করা হয়নি। পাল্টা জবাব দেন মমতা। কেন মুখ্যসচিব উত্তর দিয়েছেন নির্বাচনী সভায় তার কারণও জানান মমতা। কিন্তু সেই জবাবকে নাকচ করে দিয়ে মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নতুন করে শোকজের চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। এবার হরিশচ্যাটার্জি স্ট্রিটের ঠিকানায় চিঠি পাঠানো হয়।
ওয়েব ডেস্ক, ১৯ এপ্রিল।। নারদ স্টিং অপারেশনে হাইকোর্টে কড়া সমালোচনার মুখে পড়ল শাসকদল। চাঁছাছোলা ভাষায় প্রশ্ন তুললেন এই ঘটনার তদন্তে সরকার কী করেছে তাই নিয়ে। কী বললেন চেল্লুর দেখে নেব একনজরে- “এই ফুটেজ সামনে আসার পর সমাজে আলোড়ন পড়ে গেছে। জনগণের মধ্যে এর প্রভাব ব্যাপক।” “এই ফুটেজ সত্যি হলেও বিপজ্জনক, মিথ্যা হলেও বিপজ্জনক।” “এই ঘটনার তদন্ত হওয়া দরকার।” “সমাজে এর প্রভাব মারাত্মক।” “ফুটেজ যদি ২ বছরের পুরনোও হয়, তাহলে কি দোষীরা শাস্তি পাবেন না?” “অভিযুক্তরা জনগণের প্রতিনিধি। জনতার বিশ্বাস ও ভরসাই শেষ কথা।” “যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। নইলে জনমানসে এর প্রভাব পড়বে।” “সত্য উদ্ঘাটন হওয়া অবশ্যই দরকার।” “আমার মনে হয় এই ফুটেজকে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো দরকার।”
ওয়েব ডেস্ক, ১৯ এপ্রিল।। নারদ স্টিং অপারেশনের ভিডিও ফুটেজ যদি পুরনো হয় কিন্তু তা যদি সত্যি হয় তাহলে দোষীদের কি শাস্তি হবে না? নারদ কাণ্ডের শুনানিতে প্রশ্ন তুললেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুর। তাঁর মতে ফুটেজ সত্যি হলেও তা সমাজের পক্ষেও বিপজ্জনক, মিথ্যে হলেও তা বিপজ্জনক। হলফনামা জমা দিতে অভিযুক্তদের আইনজীবী সময় চাইলেও অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর মতে বারবার সময় চাইলে জনমানসে ভুল বার্তা যাবে। এদিকে, গতকালই হাইকোর্ট নিযুক্ত কমিটির হাতে নারদ স্টিং অপারেশনের অসম্পাদিত ফুটেজ তুলে দিয়েছেন ম্যাথু স্যামুয়েল। যে ফোনে গোটা অপারেশন চালানো হয় তাও জমা পড়েছে কমিটির হাতে। সেই ফুটেজ ও ফোনটি কোনও রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের লকারে রাখতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মামলার পরবর্তী শুনানি ২৭ এপ্রিল। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের লকারে থাকবে নারদ কাণ্ডের ফুটেজ। যে ফোনে গোটা অপারেশন হয়েছে সেটিও থাকবে কোনও ব্যাঙ্কের লকারে। এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। নারদ কাণ্ডের অসম্পাদিত ভিডিও ফুটেজ ও ফোনটি হাইকোর্টে জমা পড়েছে। কলকাতা হাইকোর্ট নিযুক্ত ৩ সদস্যের কমিটির হাতে সোমবার এগুলি জমা দেন স্যামুয়েল।