..:: বিজ্ঞাপন ::..

ওয়েব ডেস্ক, ১৫ অক্টোবর।। রবিবারই পঞ্জাবের গুরুদাসপুর লোকসভা কেন্দ্র হাতছাড়া হয়েছে বিজেপির। প্রায় দু'লক্ষ ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী। তবে পড়শি রাজ্য হিমাচল প্রদেশে ধাক্কা খেল কংগ্রেস। সে রাজ্যে কংগ্রেসি সরকারের গ্রামোয়ন্নয়নমন্ত্রী অনিল শর্মা দল ছাড়লেন। যোগ দিলেন বিজেপিতে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় যোগাযোগমন্ত্রী সুখরামের ছেলে অনিল শর্মা। রবিবার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করে তিনি বলেন,"আমি মন্ত্রিসভা ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলাম। আমায় মান্ডি থেকে প্রার্থী করছে বিজেপি।" তাঁকে দলে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছিল না বলে অভিযোগ করেছেন অনিল। ১৯৬২ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত মান্ডি থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন সুখরাম। ১৯৯৩ সালে অনিল শর্মা ওই আসনটি জেতেন। আগামী ৯ নভেম্বর হিমাচল প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সেরাজ্যে এখন ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। সেখানেই কংগ্রেসের হেভিওয়েটকে দলে টেনে মোক্ষম আঘাত করল বিজেপি। হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিংয়ের দাবি, অনিল শর্মা দলত্যাগে কোনও প্রভাব পড়বে না। অন্যদিকে লখনৌতে বিএসপি-র ৬ হেভিওয়েট নেতাকে দলে টেনেছে বিজেপি। উত্তর প্রদেশ বিজেপির সভাপতি মহেন্দ্রনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করেছেন দীপক প্যাটেল, নীরজ মৌর্যরা।
ওয়েব ডেস্ক, ২৬ জানুয়ারী।। আবার প্রথা ভাঙলেন নরেন্দ্র মোদী। প্রথা ভেঙে এবার রাজপথে নেমে পড়লেন নমো। ৬৮ তম সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ স্থল তখন অবাক। নিজের নির্দিষ্ট আসন এবং মঞ্চ ছেড়ে ততক্ষণে জনতার কাছে সাধারণতান্ত্রিক শুভেচ্ছা নিয়ে হাজির নরেন্দ্র দামোদর দাস। গতবছরও এই দিনে ঠিক এমনটাই করেছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, সাধারণভাবে এই দিন দিল্লি ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ সতর্কতা জারি থাকে। ফলে শীর্ষ পদাধিকারীদের চলাফেরার ওপর থাকে বিধিনিষেধ এবং কড়াকড়ি। প্রধানমন্ত্রীর জন্য থাকে আরও আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার বেষ্টনী। কিন্তু সেসবের তোয়াক্কা না করে রাস্তার দু'ধারে দাঁড়িয়ে থাকা জনতার কাছে চলে আসেন মোদী। প্রসঙ্গত, আজ দেশের ৬৮ তম সাধারণতন্ত্র দিবসে ভারতীয় সেনাবাহিনীর শৌর্য প্রদর্শণের পাশাপাশি ছিল নানান সাংস্কৃতিক প্রদর্শণী। তবে এবারের অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ ছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সেনাবাহিনীর প্যারেড। রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় সেই প্যারেড অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং এর পাশাপাশি ভারতের ন্যাশানাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) ও প্যারেডে অংশ নেয়।
ওয়েব ডেস্ক, ২৬ জানুয়ারী।। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরদিনই ভুল করে পাক সীমান্ত পেরিয়ে যাওয়ার দায়ে পাক সেনার হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন ভারতীয় জওয়ান চান্দু বাবুলাল চহ্বান। চার মাস পর ২১ জানুয়ারি চান্দুকে ভারতের হাতে তুলে দেয় পাকিস্তান। দুদেশের মধ্যে যখন আলোচনা বন্ধ, তখন পাকিস্তানের এই পদক্ষেপকে 'সাধু উদ্যোগ' হিসেবেই দেখা হয়। কিন্তু কেমন আছেন চান্দু? আসল সত্যিটা কিন্তু বেশ ঘোলাটে, ধোঁয়াশা রয়েছে। সূত্রের রিপোর্ট বলছে, একজন শিশু হারিয়ে গেলে যেরকম ভীত, সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে; চান্দুও ঠিক সেই রকমই ভীত, সন্ত্রস্ত। তিনি যে দেশে ফিরে এসেছেন, সেটাই নাকি বহুক্ষণ পর বুঝতে পারেন। এতটাই আতঙ্কিত ছিলেন চান্দু। এমনকী, তাঁর হাঁটতে গেলেও অন্যের সাহায্যের দরকার পড়ছে। আর এখানেই দানা বাঁধছে সন্দেহ। তাহলে কি পাকিস্তানের জেলে চান্দুর উপর শারীরিক নির্যাতন চলেছে? সেনার এক পদস্থ কর্তা জানিয়েছেন, কিছুটা ধাতস্থ হলে পর চান্দুকে নিয়ে যাওয়া হবে পুঞ্চে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।