..:: বিজ্ঞাপন ::..

 

আগরতলা, ৪ মার্চ।। ক’দিন আগে ফেসবুকে এক সহকর্মী সাংবাদিক লিখেছিলেন, ‘কংগ্রেসের মিথ্যা প্রতিশ্রুতির প্ররোচনার ফাঁদে পা দেননি ভোটাররা’, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ভোট বিপর্যয় বিশ্লেষণে এই মন্তব্য বিশেষ গুরুত্ব রাখে। আর দিল্লি আসামের নেতারা দলীয় হাই কমান্ডকে কি রিপোর্ট দিয়েছেন তা জানা নেই তবে এ রাজ্যে কংগ্রেস কতটা শক্তিশালী তা বুঝে গিয়েছেন। কংগ্রেসের কদর্য চেহারা সম্পর্কে রাজ্যের সচেতন নাগরিকরা অবহিত। 

তবুও যারা ভুলে গিয়েছিলেন তাদের আবারও খোঁচা দিয়েছে এই ভবন কান্ড। আত্ম বিশেষণ, পর্যালোচনা, পোস্ট মর্টেম ইত্যাদি নাম কা ওয়াস্তে হয়ে থাকে কংগ্রেসে। এবারও হয়ত হবে কিন্তু মিশন ১৩, পরিবর্তন যে অলীক কল্পনা, সোনালি স্বপ্ন তা দিনের মত পরিষ্কার। যারা দারিদ্রতায় আষ্টেপৃষ্ঠে বাধা, বেকারত্বের জ্বালায় পরিবারের কাছে বোঝাস্বরূপ, তাদের উচিৎ কংগ্রেস শিবিরের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সরকারের পাশে থাকা। ভুল পথে যারা পরিচালিত করেছেন তাদের প্রতি সহানুভূতি না রাখা।

       এবারের নির্বাচনে কংগ্রেসকে বিশ্বাস করেননি ভোটাররা। ৮৮ মার্কা নেতাদের ছাড়া নতুন প্রজন্মের নেতারাও ভোট যুদ্ধে ডুবেছেন। শতবর্ষের প্রাচীন এই দলকে এ রাজ্যে পুনরুজ্জীবিত করতে প্রয়োজন সি পি আই এমের ধাঁচে সংগঠন, মানুষকে নিয়ে জনস্বার্থে সারা বছর লড়াই আন্দোলন করা। বসন্তের কোকিলের মত বছরে একবার মিষ্টি সুরে ডাকাডাকি করলে ভোটারদের আশীর্বাদ পাওয়া যাবে না।