রাজ্যের অর্থনৈতিক বিকাশের লক্ষ্যে শিল্পেরও উন্নয়ন ঘটাতে হবে : উপমুখ্যমন্ত্রী
রাজ্যের অর্থনৈতিক বিকাশের লক্ষ্যে শিল্পেরও উন্নয়ন ঘটাতে হবে : উপমুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ৫ জুন।। পরিবেশ রক্ষা করা ছাড়া উন্নয়ন দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। পরিবেশ দূষণ বিরোধী হওয়া মানেই উন্নয়ন বিরোধী হওয়া নয়। বর্তমান রাজ্য সরকার চায় উন্নয়ন এবং দূষণমুক্ত পরিবেশ একে অপরের সঙ্গে হাত ধরাধরি করে চলুক। আজ গোর্খাবস্তিস্থিত ত্রিপুরা রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের পরিবেশ ভবনের বোর্ড রুমে মাউসে ক্লিক করে রিভ্যাম্পড অনলাইন কনসেন্ট ম্যানেজমেন্ট এন্ড মনিটরিং সিস্টেমের উদ্বোধন করে একথাগুলো বলেন উপমুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মা। উল্লেখ্য, এই অনলাইন সিস্টেম চালু হওয়ার ফলে অনলাইনেই ওয়াটার (প্রিভেনশান এন্ড কন্ট্রোল অফ পলিউশান) অ্যাক্ট, ১৯৭৪ এবং দ্যা এয়ার (প্রিভেনশান এন্ড কন্ট্রোল অফ পলিউশান) অ্যাক্ট, ১৯৮১ অনুসারে বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্য সংস্থা পরিচালনের প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আবেদন করা যাবে। এর মাধ্যমে পলিউশান সার্টিফিকেট একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে গ্রীন, অরেঞ্জ ও রেড গোষ্ঠীভুক্ত শিল্প সংস্থাগুলো যথাক্রমে ৭ দিন, ১৫ দিন, ২১ দিনের মধ্যে এই সার্টিফিকেট পাবে। দেশের মধ্যে ২২ তম এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির মধ্যে মেঘালয় ও সিকিমের পরে ত্রিপুরায় এই অনলাইন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপমুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ত্রিপুরাকে মডেল রাজ্য বানানোর ক্ষেত্রে এই ধরণের ব্যবস্থা সহায়ক ভূমিকা গ্রহণ করবে। উত্তর পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্যগুলি সহ ত্রিপুরাও সাংস্কৃতিক ও জৈব বৈচিত্রে ভরপুর। আমাদের তা রক্ষা করতে হবে। কিন্তু এর সঙ্গে সঙ্গে সঠিক পদ্ধতিতে রাজ্যের অর্থনৈতিক বিকাশের লক্ষ্যে শিল্পের উন্নয়ন ঘটাতে হবে। বাণিজ্য বান্ধব রাজ্য সরকার সেই লক্ষ্যে ও দিশাতেই কাজ করতে চায়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, অতিমারি কোভিড-১৯ দেখিয়ে দিয়েছে দীর্ঘ বছর ধরে মানুষ পৃথিবীকে নিজ প্রয়োজনে কতটা দূষিত করেছে। প্রকৃতির বিরূপ ব্যবহার কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা এ সময়কালে পরিলক্ষিত হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান ব্যবস্থার উপর দৃষ্টি রেখে এই ধরণের অনলাইন ব্যবস্থা খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

আরো পড়ুন

FACEBOOK

Advertisement